যেকোনো সফল প্রতিষ্ঠানই আলাদা

আমাদের বৈপরীত্যমূলক প্রশ্নের ব্যবসায়িক ধরনটি হচ্ছে : ‘মূল্যবান এমন কোন কোম্পানি কেউ সৃষ্টি করছে না?’ প্রশ্নটি যত সহজ মনে হয় আসলে ততটা সহজ নয়। কারণ অভিনব কোনো কোম্পানি সৃষ্টি করলেই হবে না, সেটাকে মুনাফাজনক প্রতিষ্ঠানেও পরিণত করতে হবে। আপনার প্রতিষ্ঠান অনেক সেবা দিতে পারে কিন্তু নিজের জন্য যথেষ্ট মুনাফা না-ও অর্জন করতে পারে। কেবল সমস্যার সমাধান করা বা সেবা প্রদান করাই যথেষ্ট নয়: আপনার নিজেকে বেঁচে থাকতে হলেও কিছু মুনাফা অর্জন করতে হবে।

এর মানে ব্যবসা অনেক বড় হলেও ব্যবসায় মন্দা ঘটতে পারে। উদাহরণ স্বরূপ বলি ইউ.এস. আকাশ পথের ব্যবসা। এই পথে বহু কোম্পানি আছে যারা লাখো যাত্রীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে। প্রতিবছর কোটি কোটি টাকা আয় করছে। কিন্তু ২০১২ সালে দেখা গেল, গড়ে প্রতি যাত্রীর ভাড়া ১৪ হাজার ৫০০ টাকা অথচ একজন যাত্রী থেকে যাত্রা প্রতি মুনাফা হচ্ছে মাত্র ৩০ টাকা। একে এবার গুগলের সাথে তুলনা করা যাক। গুগল আকাশ পথের বিমান কোম্পানিগুলো থেকে অনেক কম সেবা দিয়েছে। কিন্তু তার লাভের অঙ্ক বেশ বড়। গুগল ২০১২ সালে বিমান কোম্পানিগুলোর ১৬ হাজার কোটি টাকার বিপরীতে ৫ হাজার কোটি টাকা আয় করেছে, কিন্তু গুগল সেই আয় থেকে ২১% মুনাফা অর্জন করেছে। যা বিমান কোম্পানিগুলোর মুনাফার ১০০ গুণ বেশি। আর এখন তো গুগল যা টাকা আয় করে তা ইউ.এস. এর সব বিমান কোম্পানিগুলোরও তিনগুণ ছাড়িয়ে গেছে।

আকাশ পথের এই উড়োজাহাজ কোম্পানিগুলো একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করে। আর গুগল ব্যবসা করে একা। অর্থনীতিতে এই পদ্ধতির একটি নাম আছে। প্রথমটি হচ্ছে পূর্ণ প্রতিযোগিতার বাজার এবং দ্বিতীয়টি হচ্ছে একচেটিয়া বাজার। বিস্তারিত জানতে পড়ুন জিরো টু ওয়ান বই। এখনই জিরো টু ওয়ান বই ক্রয় করুন। বই ক্রয় করতে বাটনের ওপর ক্লিক করুন।

পরবর্তী রচনার লিংক:

স্বপ্নের সূচনা

ধনী হওয়ার ব্যবসায়িক মডেল

নতুন চিন্তার উদ্যোগ

ব্যবসায়িক মডেলের চার নীতি

যেকোনো সফল প্রতিষ্ঠানই আলাদা

প্রতিযোগিতার মূলনীতি

শেষে থাকলে যে সুবিধা

Leave a Reply