টাইম ম্যানেজমেন্ট বইয়ের পর্যালোচনা তথা বুক রিভিউ ০১

টাইম ম্যানেজমেন্ট বইয়ের পর্যালোচনা তথা বুক রিভিউ ০১

ব্রায়ান ট্রেসি রচিত টাইম ম্যানেজমেন্ট (সময় ব্যবস্থাপনা) বইয়ের অধ্যায় আছে মোট ২১টি। আমি প্রথম অধ্যায়ের কিছু বক্তব্য তুলে ধরছি। এভাবে পরবর্তী অধ্যায়গুলোর বক্তব্য তুলে ধরব এবং শেষে আলোচনা করব।

অধ্যায় ১ – সময় ব্যবস্থাপনার মনোবিজ্ঞান।

১। আপনি কীভাবে চিন্তা করেন এবং নিজের সম্পর্কে কেমন অনুভব করেন― এই দুই জিনিস আপনার জীবনের গুণগত মান ধরে রাখতে অনেক বড় ভূমিকা পালন করে।

২। আপনার আত্মসম্মান তখনই বেড়ে যায় যখন আপনি কোনো কাজ দক্ষভাবে করতে পারেন। আর যখন তা ঠিকভাবে করতে পারেন না তখন আপনার আত্মসম্মান হ্রাস পায়।

৩। যেসব লোক তাদের সময়কে দক্ষভাবে পরিচালিত করে তারা আত্মবিশ্বাসী, ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে থাকে এবং নিজের জীবন নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়।

৪। আপনার বিশ্বাসই বাস্তবে পরিণত হয়। আপনি যা বিশ্বাস করবেন আপনি তাই হবেন।

৫। একটি সিদ্ধান্ত নিন। আপনি কীভাবে নতুন ও ইতিবাচক অভ্যাস গঠন করবেন? কার্যকারিতার চারটি ভাগ আছে: আকাক্সক্ষা, সিদ্ধান্ত, সংকল্প ও শৃঙ্খলা। একে একে রপ্ত করেন, তাহলে আপনার পক্ষেও সময়কে ঠিকভাবে পরিচালনা করা সম্ভব।

৬। একজনের জীবনে পরিবর্তন তখনই আসে যখন সে ভিন্ন কিছু করার জন্য দ্ব্যর্থহীন ও স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নেয়। একজন দক্ষ সময়নিষ্ঠ ব্যক্তি হওয়ার প্রতি প্রথম ও প্রধান ধাপ হচ্ছে একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া।

৭। আপনি যখনই অতিরিক্ত কাজের চাপে আচ্ছন্ন থাকবেন তখনই একটু বিরতি নিয়ে নিজেকে বলবেন, ‘আমি সাজানো-গোছানো, পরিপাটি ও দক্ষ এক পুরুষ।’

৮। নিজেকে বলুন, ‘আমি একজন সময়নিষ্ঠ ব্যক্তি। আমি আমার সময়কে ঠিকভাবে কাজে লাগাই।’

৯। আপনি যেমন হতে চান, নিজেকে তেমন করে কল্পচোখে দেখুন।

১০। আজকে যদি আপনি নিজেকে একজন দক্ষ সময় ব্যবস্থাপক রূপে চিন্তা নাও করেন, কেবল ভান করেন তবুও দেখবেন আপনি আপনার কাজের মধ্যে এক ধরনের শৃঙ্খলা ও দক্ষতা অনুভব করছেন। প্রকৃতপক্ষে আপনি আপনার কাজ, অভ্যাস ও আচরণকে পরিবর্তন করতে পারেন যদি আপনি ‘অন্ততপক্ষে তা করার প্রতি ভানও করেন।’

কারও (বাংলা বা ইংরেজি) কাগজের বই অথবা পিডিএফ দরকার হলে কমেন্ট করতে পারেন।

Leave a Reply